আগামী বছরের শেষেই মতিঝিল থেকে কমলাপুর পর্যন্ত মেট্রোরেলে যাত্রী চলাচল শুরু হবে। এ পর্যন্ত মেট্রোরেলের এই রুটের নির্মাণ কাজ শেষ হয়েছে ৪৫ শতাংশ। কর্তৃপক্ষের আশা, কমলাপুর পর্যন্ত ট্রেন চালু হলে দিনে চলাচল করতে পারবে ৫ লাখের বেশি যাত্রী।
সরেজমিনে দেখা যায়, কমলাপুরে মেট্রোরেলের কাজ চলছে পুরোদমে। পালাবদলে দিন-রাত কাজ করছেন নির্মাণ শ্রমিকেরা।
মেট্রোরেলের লাইন-৬ শুরু উত্তরা থেকে, শেষ হবে কমলাপুরে। এরই মধ্যে পুরোপুরি যাত্রী সেবা চালু রয়েছে মতিঝিল পর্যন্ত। রাজনৈতিক অস্থিরতায় মতিঝিল থেকে কমলাপুরের কাজে কিছুটা সমস্যা হলেও এখন আর নেই।
১ দশমিক ১৬ কিলোমিটারের এ অংশে ৩৯টি পিলারের মধ্যে নির্মাণ শেষ হয়েছে ৩০টির। মোট ২৭টির মধ্যে কাজ শেষ হয়েছে ২টি স্প্যানের। স্টেশনের সকল পিলারের কাজও শেষ। কর্তৃপক্ষ বলছে, আগামী বছরের মাঝামাঝিতে পুরো নির্মাণকাজ শেষ করা যাবে।
ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) প্রকল্প পরিচালক (লাইন-৬) মো. আবুল কাসেম ভূঁঞা বলেন, ‘ভায়াডাক্টের কাজও অনেকটা হয়ে গেছে। পাইলিংয়ের কাজ প্রায় শেষ। আগামী বছরের ২৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রকল্পের মেয়াদ আছে, তবে এর আগেই মতিঝিল থেকে কমলাপুরের লাইন নির্মাণকাজ শেষ হবে।’
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কমলাপুর রেলস্টেশন একই জায়গায় হওয়ায় রাজধানীর বাইরে থেকে এসে মেট্রোর সুবিধা পাওয়া যাবে সহজেই। পুরো লাইনে ট্রেন চলাচল শুরু হলে আশপাশের অনেক জেলার যাত্রীরাও উপকৃত হবে।
যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ মো. হাদিউজ্জামান বলেন, ‘যেহেতু দূরপাল্লার কমলাপুর স্টেশন আন্তঃসংযোগ করছে, এদিকে মেট্রোরেল যখন গিয়ে কমলাপুরে যুক্ত হবে, তখন ঢাকার ভেতরে প্রবেশ এবং ঢাকার ভেতর থেকে কমলাপুর যাওয়ার যে ব্যবস্থা সেখানে একটা বড় পরিবর্তন আসবে। উন্নত দেশেও এমন ব্যবস্থা আছে।’ উত্তরা থেকে মতিঝিল অংশে মেট্রোরেলে প্রতিদিন চলাচল করছে সাড়ে তিন লাখ যাত্রী।





