শুক্রবার, অক্টোবর ১৬, ২০২৬

আহমেদ ছফা বনাম হুমায়ুন হুমায়ূন- ড. মোহাম্মদ আমীন

spot_img

ভিডিও

- Advertisement -

ড. মোহাম্মদ আমীন এর এই বইটি পড়লে ছফা, হুমায়ুন আহমেদ আর হুমায়ুন আজাদের পাঠক রা ভিমরি খেতে পারেন।


ছফা আর আজাদের ভিতর এক অঘোষিত দ্বন্দ্ব বিদ্যমান ছিল। কেও কাওকে সহ্য করতে পারত না। অথচ তিনজনই বাংলা সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ লেখক।

বাঙালি পাঠকেরা লেখকের লেখা বা লেখক সত্বা নিয়ে ভাবে না, ভাবে ব্যাক্তিজীবন নিয়ে। কোন লেখকের বউ চলে গেছে, কোন লেখক মদ খায়, কোন লেখক নাস্তিক, আস্তিক তা নিয়েই আমাদের গবেষণা।

তসলিমা কে নিয়ে ছফা বলেন – যতবারই তসলিমা কে দেখেছি আমার তাকে সুন্দর সুদৃশ্য রেলওয়ে স্টেশনের ওয়েটিং রুমের মত মনে হয়েছে। যেখানে অনেক পুরুষ অপেক্ষা করতে পারে। কিন্তু কোন গহনতা, নির্জনতা নেই।

 

হুমায়ুন আহমেদ কে নিয়ে বলেন- নন্দিত নরকে ছাড়া তার কোন লেখাই সাহিত্যকর্ম নয়- উগ্রা প্রসাধনী ঢাকা ফুটপাতের কোন মহিলা যেন। এক ঝলক দেখার পর মুখ ফিরিয়ে নেওয়া ছাড়া আর উপায় থাকে না।


বুদ্ধিজীবী প্রসংগে ছফা বলেন- বুদ্ধিজীবীরা আগে ছিল পাকিস্তানি এখন বাঙালি পরক্ষণে আবার বাংলাদেশি। তাদের কোনটাই বিশ্বাস এবং আস্থার নয়, ঠেলা এবং লোভের।

 

বাংলাদেশের দুই জনপ্রিয় লেখকের বই এদেশের পাঠককে বই মুখী করেছে, এমন মন্তব্যে ছফা বলেন- এ ধারনাটি বেরিয়েছে মগজহীন বুদ্ধিজীবীদের অনুর্বর মস্তিষ্ক থেকে। তারা ঠিকভাবে কোন কিছু বিশ্লেষণ করতে পারে না। এসব প্রতিবন্ধী বুদ্ধিজীবীরা মনে করে অপ্রাপ্তবয়স্ক কিশোর কিশোরীরাই সাহিত্যের বিচারক; নবম শ্রেণির মেয়েটি একটা বইয়ের জন্য পাগল বলে ওই বইটি ভালো এমন ভাবাটাই পাগলামি।

 

মজা পেলাম বইটি পড়ে, তবে এক ই লেখা ঘুরেফিরে বারবার এসেছে। লেখক বর্ষিয়ান তাই লেখার হাত ও আরো উন্নত হওয়া উচিত ছিল। শেষ টা অনেক তাড়াহুড়ো করে শেষ হল কেন বুঝলাম না।

মাত্র ৬৪ পাতার বই এক বসাতেই শেষ করতে পারে

- Advertisement -
spot_img

আলোচিত

একটি উত্তর ত্যাগ

আপনার মন্তব্য লিখুন দয়া করে!
এখানে আপনার নাম লিখুন দয়া করে

সর্বশেষ

ভিডিও