জাতীয় সংসদের সাউন্ড সিস্টেম কেনাকাটায় অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগে অনুসন্ধানে নেমেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গত ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এ অনুসন্ধানের অংশ হিসেবে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়ে গণপূর্ত অধিদপ্তরে চিঠি দিয়েছে সংস্থাটি।
জানা যায়, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম দিন থেকেই সাউন্ড সিস্টেমের ত্রুটি নিয়ে স্পিকার ও সংসদ সদস্যদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। সংসদ কার্যক্রম পরিচালনায় বিঘ্ন ঘটায় বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয় এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিও ওঠে।
এরই মধ্যে ২০২২ সালে স্থাপিত সাউন্ড সিস্টেমে অনিয়ম এবং পরবর্তীতে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় সংস্কার কাজেও অনিয়ম হয়েছে কি না তা খতিয়ে দেখতে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। সম্প্রতি তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করতে গণপূর্ত অধিদপ্তরকে আগামী ১৮ এপ্রিলের মধ্যে সংশ্লিষ্ট সব নথিপত্র জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
দুদকের পাঠানো চিঠিতে ‘কমিউনিকেশন টেকনোলজি লিমিটেড’-এর সিইও জাহিদুর রহিম জোয়ারদারসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে শত শত কোটি টাকা আত্মসাৎ ও বিদেশে অর্থ পাচারের অভিযোগ উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে পৃথক আরেক ঘটনায়, সাব-রেজিস্টারদের বদলি নিয়ে শত কোটি টাকা দুর্নীতির অভিযোগ তুলে আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও তার ব্যক্তিগত সহকারী মাসুমের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুদকে আবেদন করেছেন এক আইনজীবী।
আবেদনকারী ব্যারিস্টার সরোয়ার হোসেন অভিযোগে উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২৮৬ জন সাব-রেজিস্টারের বদলিতে ব্যাপক অনিয়ম ও ঘুষ লেনদেন হয়েছে। এমনকি বদলি ও পদায়নের ক্ষেত্রে কোনো নীতিমালাও অনুসরণ করা হয়নি বলে অভিযোগে দাবি করা হয়েছে।
দুদক সূত্র জানায়, অভিযোগগুলো যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।





