রাত পোহালেই অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ব্যাপক নিরাপত্তার কথা জানানো হয়েছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। ভোটগ্রহণকে কেন্দ্র করে সেনাবাহিনী, বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) র্যাব ও পুলিশের ব্যাপক তৎপরতা লক্ষ্য করা গেছে। শেষ মুহূর্তেও হয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মহড়া।
বুধবার (৮ এপ্রিল) দিনভর ভোটগ্রহণের কেন্দ্রগুলোতে এই পরিস্থিতি দেখা গেছে। এর আগে বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে নির্বাচনের সরঞ্জাম প্রিসাইডিং অফিসারদের হাতে তুলে দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা।
এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ‘ধানের শীষ’ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল, ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদুর রহমান ও ‘কাঁচি’ প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান।
প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সব সংস্থা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে। নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী উপজেলা। এরই অংশ হিসেবে ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, সেনাবাহিনীর স্ট্রাইকিং ফোর্স, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, ১৪টি র্যাব টিম, ২৬টি মোবাইল টিমসহ ১ হাজার ১৫০ পুলিশ সদস্য, ১ হাজার ৭০৪ জন আনসার সদস্য নির্বাচনের সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকবেন।
বুধবার দুপুরে উপজেলা নির্বাচন অফিস থেকে নির্বাচনের সরঞ্জাম প্রিসাইডিং অফিসারদের হাতে তুলে দেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা। কমিশনের নির্দেশনা মোতাবেক ভোটকেন্দ্রগুলোতে সন্ধ্যার আগেই ব্যালেট বাক্সসহ সরঞ্জামাদি পৌঁছার নির্দেশনা মোতাবেক কাজ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকতা কামরুল হাসান।
কেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম, শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ কালকেন্দ্রে কেন্দ্রে পৌঁছাচ্ছে ভোটের সরঞ্জাম, শেরপুর-৩ আসনে ভোটগ্রহণ কাল
এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ বলেন, অবাধ, সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে প্রশাসন সবসময় তৎপর রয়েছে। আর্মি, পুলিশ, র্যাব, বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর টহল অব্যাহত রয়েছে। সব ভোটকেন্দ্র সিসিটিভির আওতায় আনা হয়েছে। নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করার চেষ্টা করলে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
উল্লেখ্য, শেরপুর-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদল মৃত্যুর কারণে এই আসনের নির্বাচন স্থগিত করে নির্বাচন কমিশন। পরবর্তীতে ৯ এপ্রিল ভোটগ্রহণের তারিখ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে নির্বাচন কমিশন। এ আসনে ১৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লক্ষ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন। ভোটকেন্দ্র ১২৮টি। ভোট কক্ষ ৭২১টি।





