ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম হজ। সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর জীবনে একবার হজ পালন করা ফরজ। এটি কায়িক ও আর্থিক ইবাদতের সমন্বিত রূপ। সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ পালনে অবহেলা করা গুরুতর অপরাধ।
হজরত ওমর ইবনুল খাত্তাব (রা.) থেকে বর্ণিত, ‘যে ব্যক্তি হজ করার সামর্থ্য রাখে, তবুও হজ করে না- সে ইহুদি হয়ে মৃত্যুবরণ করল, নাকি খ্রিষ্টান হয়ে, তাতে আল্লাহর কোনো পরোয়া নেই।’ (তাফসিরে ইবনে কাসির)
প্রতিবছর লাখো মুসলমান মহান আল্লাহর ডাকে সাড়া দিয়ে পবিত্র মক্কায় হজ পালনের উদ্দেশ্যে ছুটে যান। সেখানে তারা উচ্চারণ করেন- ‘লাব্বাইক আল্লাহুম্মা লাব্বাইক’।
হজ পালনের জন্য অনেকেই আগেভাগে টাকা জমিয়ে রাখেন। এ ক্ষেত্রে ওই টাকার ওপর যাকাত দিতে হবে কি না, তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন থাকে। বিশেষ করে হজ এজেন্সিকে হজের খরচ বাবদ টাকা পরিশোধ করে দেওয়ার পর ওই টাকার যাকাত দিতে হবে কি না- এটি নিয়েও রয়েছে সংশয়।
হজ এজেন্সিকে হজের খরচ ও ফি বাবদ যে টাকা পরিশোধ করে দেওয়া হয়েছে, ওই টাকার যাকাত হজযাত্রীকে আদায় করতে হবে না। কারণ, টাকা এজেন্সিকে পরিশোধ করে দেওয়ার পর তা আর হজযাত্রীর মালিকানায় থাকে না। ফলে ওই টাকার যাকাতের দায়িত্বও হজযাত্রীর ওপর থাকে না।
তবে কেউ যদি ভবিষ্যতে হজ পালনের উদ্দেশ্যে নিজের কাছে টাকা জমা রাখেন এবং সেই টাকা নেসাব পরিমাণ হয় ও তার ওপর এক বছর পূর্ণ হয়, তাহলে ওই টাকার যাকাত আদায় করতে হবে।



